বিয়োগিনী
মুক্তি মণ্ডল
শনি, ২০১০-০৪-১৭ ০৪:০১
শনি, ২০১০-০৪-১৭ ০৪:০১ বিয়োগিনী, এইবার চিরে ফেলো মধুসন্তাপের দেহ,
দীর্ঘ ছায়ার নৃত্যে ছুড়ে দেওয়া কটাক্ষ ফিরে এসে
দ্বিধার পালকে বসুক, তার ঘুমহীন চোখে আমাদের
আকাঙ্ক্ষা, আমাদের কালো মেঘ, উড়ুক।
কত সত্য মিথ্যুকের চোয়ালে রাতমূর্তির রূপ ধরে
তোমার অন্তর বাজাতে চায়, গ্রীবার আকাশে খুব
সাদা ছড়ানো মেঘের রঙে সিংহের কেশরে লুফে
নিতে চায় রোদ, বৃষ্টির ঝুমঝুম।
আজ পলক উন্মোচনে সাদা কালো সেই হরিণী,
তোমার চোখের মত, গোধূলির ঘুম কেড়েছে।
নিরব ঘাতকের ফেলে যাওয়া চাবিগুচ্ছে বৃষ্টির
ঘ্রাণ – একাকী জেগে আছে।
- মুক্তি মণ্ডল-এর অন্যান্য কবিতাপাতা
- এই পাতাটির ক্লিকসংখ্যা 436





খলিল মাহমুদ 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
আজ পলক উন্মোচনে সাদা কালো সেই হরিণী,
তোমার চোখের মত, গোধূলির ঘুম কেড়েছে।
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
Jayita 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
onobodyo shabdochayan... bhalolaga janiye gelam
মিঠু 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
খুব সুন্দর
মুক্তি মণ্ডল 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
তিনজনাকেই ধন্যবাদ।
নৌরিন 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
মুক্তিভাই, খুব ভাল লাগছে
মৌসুমী 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
প্রতিটা লাইনই মন ভরিয়ে দেয়
মনে হয় বার বার পড়ি
‘তোমার অন্তর বাজাতে চায়, গ্রীবার আকাশে খুব’ এই লাইনটি অপূর্ব লেগেছে
মুক্তি মণ্ডল 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
ধন্যবাদ নৌরিন, মৌসুমীকে।
chhaya 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
subho Nabobarsho
anekdin pre apnar lekha monche pore bhalo laglo
সাগরলীনা 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
নিরব ঘাতকের ফেলে যাওয়া চাবিগুচ্ছে বৃষ্টির
ঘ্রাণ – একাকী জেগে আছে।
একান্তই ব্যক্তিগত মতামত।
-শ্রীদর্শিনী
নীল 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
অসাধারন স্নিগ্ধতা গোটা কাব্যটার শরীর জুড়ে.........
নিরক্ষর
prantik 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
অনবদ্য সব চিত্রকল্প, আর কবিতার শব্দ শরীরের আকর্ষণও ছাড়িয়ে এই আবেদন
‘‘বিয়োগিনী, এইবার চিরে ফেলো মধুসন্তাপের দেহ’’ মরমে বাজছে
মুক্তি মণ্ডল 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
আপনাদেরকে কৃতজ্ঞতা জানাই। ভাল থাকবেন সবাই।
Asif 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
Chamatkar kabita ,.
pipuphishu 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
mugdhota
bijesh 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
চিরন্তন সাধকরা সহজ সৌন্দর্যের সন্ধানে থাকেন। সহজ সৌন্দর্য আসলে সরল নয়, সে হল গভীরে যাবার সোপান শ্রেণী। কোন গভীরে? যেখানে মন ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জগতের একটি অলীক প্রতিলিপি তৈরি করে, যেখানে স্পর্শ করতে স্বাভাবিক কানুনমালার শৃঙ্খলা না মানলেও চলে। এই কবিতা পড়তে পড়তে মনে হয় মুক্তি মন্ডল যেন শুধু কবি নন, এক সাধকও। অসাধারণ সব শব্দ আর তাদের অসাধারণ পাশাপাশি বিন্যাসে এবং সহ অবস্থানে এক সহজ সৌন্দর্য গড়ে তোলেন, যা সরল নয়, তরল নয়, পলকা নয়, বিস্মৃতিযোগ্য নয়, যে সৌন্দর্য কবিতায় এক অনন্ত গভীরতা বহন করে আনে, কবিতার সাথে, কবিভাষার সাথে এক চিরন্তন সেতু সাবলীলতায়, মসৃণতায় এপারে ওপারে গড়ে ওঠে। এই কবিতা নিয়ে সবাই বলেছেন, বিলম্বে এলাম, নতুন কিছু বলবার নেই। তাও বলি, যে মুগ্ধতা তৈরি হয়ে যায়, তৈরি হতে থাকে অবিরত তার সঙ্গে তুলনীয় কিছু নেই। এই জায়গায় এই কবি ও তার কবিতাগুলি একক ও অদ্বিতীয়।
bijesh 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
কবিতার দুটি সংস্করণের তুলনামূলক পাঠ পড়তে গিয়ে দেখলাম ‘সিংহিনীর’ থেকে সিংহের করা হয়েছে। খুব সম্ভব কেশরের উল্লেখ থাকায় এবং স্বাভাবিক নিয়মে স্ত্রী সিংহ কেশর বর্জিত হওয়ায় কবিতার পঙক্তিতে এই লিঙ্গান্তর। এখানে একটু কবিতাবর্জিত ও কবিতা বহির্ভূত কিছু কথা বলতে লোভ হচ্ছে। প্রথমে মনে আসে পোয়েটিক লাইসেন্স ও লিবার্টির কথা (এটা নিয়েও একটা বিশদ আলোচনা হতে পারে)। কবির মনোভূমে সিংহিনীর কেশর থাকতে পারে, যেমন বহু প্রচলিত ও সর্বজনবিদিত ইউনিকর্নের অশ্ব হয়েও একটি সুদৃশ্য শিং থাকে। প্রায় পুরোটাই চপলতায় গায়ক কিশোর কুমার প্রশ্ন করেছিলেন, এক অনবদ্য ও আজও জনপ্রিয় সুরের গানে, শিং নেই তবু নাম তার সিংহ কেন, এই নিয়ে ভ্যাবাচাকা খাবার কথাও খুব সম্ভব সেই গানে ছিল।
বলা যায়না, ইউনিকর্নের মতোই কেশরওয়ালা সিংহিনীও এক আইকন হয়ে উঠতে পারত। তবে কথা সেটা না, কিছুদিন আগে একটি ভিডিও দেখেছিলাম, যেখানে এক সিংহিনী কেশর নিয়ে স্বমহিমায় ও স্বগরিমায় বিরাজমানা (ইন দিস ভিডিও ইউ ক্যান সি দা লায়োনেস উইথ আ মেন, মেন মানে কেশর - ভিডিওটি পাবেন এইখানে)।
আরো কিছু কৌতূহলোদ্দীপক তথ্য, যদি আপনারা কবিতা থেকে দুরে সরে যাবার অনুমতি দেন। তনয়াদের কেশ সজ্জায়, কবরীবন্ধনে, কুন্তলবিন্যাসে ‘‘লায়োনেস মেন’’ বা ‘‘সিংহিনীর কেশর’’ স্টাইল একটি হট-চর্চিত বিষয়। অনলাইন হোম অফ মিস কিম-এ এই ‘‘সিংহিনীর কেশর’’ স্টাইলের একগুচ্ছ ফোটো দেখতে পাবেন, তবে সতর্কতা এটি খানিকটা অ্যাডাল্ট ছবির সমাবেশ, রুচির বাইরে হলে অনুগ্রহ করে যাবেননা। সবথেকে যেটা মজার ব্যাপার তা হল সাহিত্যের মতোই শিল্পকর্মে ‘‘সিংহিনীর কেশর’’ চিরতরে খোদাই হয়ে গেছে অপরূপ একটি শ্বেত ভাস্কর্যে - ডোম অফ সালের্নোর অনন্য সিংহদম্পতি দ্বারা সুরক্ষিত ও সুশোভিত প্রবেশদ্বারে। হয়তো মধ্যযুগীয় কবিমনস্ক সেই ভাস্করের কাছে তথ্য ছিল না বলেই রচিত হতে পেরেছিল সেই অপূর্ব সুন্দর ও আজও অম্লান ‘‘সিংহিনীর কেশর’’! এই পাতায় উপর থেকে নীচে চার সংখ্যক ছবিটিতে চাক্ষুষ করুন সেই সিংহিনী-কেশর।
arghya 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
gobhir bishad grash korche. nirlipto
আল্লাইয়ার 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
খুব ভালো লাগল বস।
আল্লাইয়ার
মুক্তি মণ্ডল 16 বছর 16 সপ্তাহ আগে
বিজেশ, শুকরিয়া। আপনার পাঠ ও পাঠ পরবর্তী কথা থেকে অনেক কিছু জানা গেলো। বেশ ইন্টারেস্টিং লাগছে।আপনার পর্যবেক্ষণের সাথে সহমত জানাচ্ছি।
অর্ঘ্য ও আল্লাইয়ারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
নতুন মন্তব্য পাঠান