নতুন কিছু হোক

একজন কবিতা-কুটুম্ব's picture
raktim

- অসিত কুমার রায় (রক্তিম)
নতুন কিছু হোক
নব উদ্যমে ঝড় তুফান সুনামিতে
প্রতিদিন এই জোকারের খেলা
দ্যাখতে কার ভালো লাগে!
জগদ্দল পর্বতের মত বসে আছে।
এক্কেবারে উপড়ে ফেলতে হবে।

নতুন কিছু হোক।
পর্দা সরিয়ে দিলে নতুন কিছু হবে।
আগুন ঠিকরে পড়বে ঝড় উঠবে
তারপর সুনামি সব ভাসিয়ে নিয়ে যাবে।
আবর্জনা যত সব পুড়ে ছাই হোক।
নতুন সকাল নতুন চারা
মৃত শশ্মান থেকেই জেগে উঠবে।
নতুন পাতায় জাগ্রত আবার নব বসন্ত;
বসন্ত বাহারে জীবনের তারে নতুন দিন।

ঐশী's picture
‘‘আবর্জনা যত সব পুড়ে ছাই

ঐশী 2 সপ্তাহ 4 দিন আগে

‘‘আবর্জনা যত সব পুড়ে ছাই হোক’’

কে না এটা চায়! মুশকিল হলো আবর্জনার আপেক্ষিক তত্ত্ব অর্থাৎ আমার কাছে যা আবর্জনা তা অন্যের কাছে নয় এবং ভাইসি ভার্সা, যদি বলি ইউনিভার্সাল সত্য বলেও কিছু আছে, এখানে অনেকে মানবেনা, অনেকে মাছভাত ভালোবাসেন, কেউ ডিমের ঝোল - সেইরকম আবর্জনা সরাতে গেলে কেউ কেউ হাজারো তত্ত্ব ও বিপ্লব হাঁকিয়ে দিচ্ছেন, যার সব কিছুতেই চলে আসেঃ গরীবের পেটের ভাত, আর গরীব কে, পেটের ভাত ঠিক কোনটা শুধাতে গেলে মুশকিল

এবারে একটা প্রশ্ন ‘‘হিং টিং-এর পরে ছট কেন আসে’’
এর বিভিন্ন তত্ত্ব আছে, যেমন

ধ্বনি-তত্ত্ব
“হিং” বললে নাক কুঁচকে যায়, “টিং” বললে ঘণ্টা বাজে, আর ঘণ্টা বাজলে স্বাভাবিকভাবেই “ছট!” করে সবাই চমকে ওঠে। তাই হিং → টিং → ছট।

রান্নাঘর তত্ত্ব
হিং কড়াইয়ে পড়ল।
টিং! ঢাকনার শব্দ হল।
তারপর গরম তেল ছিটকে “ছট্‌!”
সুতরাং হিং-এর পরে টিং, টিং-এর পরে ছট।

গণিত তত্ত্ব
হিং + টিং = ছট।
প্রমাণ চাওয়া নিষেধ; এটা উচ্চতর আবোল-তাবোল গণিতের সূত্র।

ভাষাবিজ্ঞান তত্ত্ব
“হিং টিং”-এর পরে “ছট” আসে, কারণ “হিং টিং লাউ” বললে ছন্দটা নষ্ট হয়ে যায়। ভাষা নিজেই প্রতিবাদ করে!

রাজদরবার তত্ত্ব
রাজা বললেন “হিং!”
মন্ত্রী বললেন “টিং!”
সভাসদরা একসঙ্গে বলল “ছট্‌!”
আর সেই থেকেই প্রথা।

Smile রবীন্দ্রনাথ সম্ভবত এসব শুনলে মুচকি হেসে বলতেন, “দেখলে তো, অর্থহীন শব্দেরও কত অর্থ বের করা যায়!” আসলে নতুন কিছু হওয়া খুূব মুশকিল, ঐ রাজদরবার তত্ত্ব চলেছে আর কি

ASIT KUMAR ROY's picture
সম্রাজ্ঞী তোমার কলমটা আর ফেরত

ASIT KUMAR ROY 2 সপ্তাহ 1 দিন আগে

সম্রাজ্ঞী তোমার কলমটা আর ফেরত দেওয়া হয়নি। পরীক্ষা চলাকালীন কলমের কালি ফুরিয়ে গেল। আমার মাথায় হাত কার কাছে চাইব কলম কে দেবে? কলেজ পড়ুয়ারা বার্ষিক পরীক্ষার জন্য মাথা নিচু করে লিখে চলেছে মাটিতে পিন পড়লে শব্দ শোনা যাবে। শুধু আমার নিঃশ্বাসের শব্দ আমার কাছেই অপরিচিত অতিথি। ভেতরে ভেতরে ঘেমে উঠছি, ভাবছি স্যার'কে বলি একটা কলম ম্যানেজ করতে হবে। ডাকতে যাব... ঠিক তখনি পিছন থেকে কে যেন জামা টেনে ধরল, সাথে একটা লাল রঙের কলম চোখের সামনে মেলে ধরেছে। এক ঝলক দেখেছিলাম তার মসৃণ মোমের হাত। চাঁপাকলির মত হাতের আঙুলে ধরা ছিল লাল কলম, যেন সরস্বতীর মরালীর ঠোঁটে জ্বলজ্বল করছে তা। ঘাড় ঘুরিয়ে দেখি সম্রাজ্ঞী! মুখে তার তৃতীয়া চাঁদের এক চিলতে হাসি। তৎক্ষণাৎ আওয়াজ আসে পরিক্ষকের - না না কোন কথা নয়, আর মাত্র তিরিশ মিনিট সময় আছে খাতা জমা দেবার।
পরীক্ষা শেষে দেখা তার দেখা পাইনি তাই কলম ফেরত দেওয়াও হয়নি। রাতের বেলা তোমার দেওয়া কলমে তোমার কথা লিখতে ইচ্ছা হোল। মুখের দিকে চেয়ে কথা বলার ইচ্ছে থাকলে কোনদিন বলা হয়নি, আর সবার মত আমার ভীষণ ভয় হত। শুধু দূর থেকে দেখেছি পূর্ণিমার চাঁদ দেখার মত। আমার বন্ধুরা বলত সম্রাজ্ঞী খুব অহংকারী। আমার কিন্ত তা মনে হয়নি। কারণ আমার মনের কথা তুমি ঠিক বুঝে নিতে পেরেছিলে, যে ফণীভূষণের কলম বিগড়েছে। এমন প্রাচীন নামে প্রথম পরিচয়ে কুণ্ঠাবোধে সম্পর্ক দমে যেত। ভাবলাম কলম ফেরত দেবার সময় কিছু কথা নিশ্চয় হবে, সেকথা ভেবেই মনের ভিতর ফল্গুনদীর প্রবল স্রোতের ধারা। নিজের কাছেই নিজেই লজ্জা পেলাম। তারপর তোমার সাথে দেখা হয়নি আর কোনদিন কলেজে আসনি। জানিনা কেন? তবে তোমার কলমে এখনো দিব্যি লেখা পড়ে, যখন যা মনে আসে লিখি। জানিনা সে গুলো তোমায় নিয়ে কবিতা কিনা?

ASIT KUMAR ROY's picture
সম্রাজ্ঞী তোমার কলমটা আর ফেরত

ASIT KUMAR ROY 2 সপ্তাহ 1 দিন আগে

সম্রাজ্ঞী তোমার কলমটা আর ফেরত দেওয়া হয়নি। পরীক্ষা চলাকালীন কলমের কালি ফুরিয়ে গেল। আমার মাথায় হাত! কার কাছে চাইব কলম কে দেবে? কলেজ পড়ুয়ারা বার্ষিক পরীক্ষার জন্য মাথা নিচু করে লিখে চলেছে, মাটিতে পিন পড়লে শব্দ শোনা যাবে। শুধু আমার নিঃশ্বাসের শব্দ যেন আমার কাছেই অপরিচিত অতিথি। ভেতরে ভেতরে ঘেমে উঠছি, ভাবছি স্যার'কে বলি একটা কলম ম্যানেজ করতে হবে। ডাকতে যাব... ঠিক তখনি পিছন থেকে কে যেন জামা টেনে ধরল, সাথে একটা লাল রঙের কলম চোখের সামনে মেলে ধরেছে। এক ঝলক দেখেছিলাম তার মসৃণ মোমের হাত। চাঁপাকলির মত হাতের আঙুলে ধরা ছিল লাল কলম, যেন সরস্বতীর মরালীর ঠোঁটে জ্বলজ্বল করছে তা। ঘাড় ঘুরিয়ে দেখি সম্রাজ্ঞী! মুখে তার তৃতীয়া চাঁদের এক চিলতে হাসি। তৎক্ষণাৎ আওয়াজ আসে পরিক্ষকের - না না কোন কথা নয়, আর মাত্র তিরিশ মিনিট সময় আছে খাতা জমা দেবার।
পরীক্ষা শেষে দেখা তার দেখা পাইনি তাই কলম ফেরত দেওয়াও হয়নি। রাতের বেলা তোমার দেওয়া কলমে তোমার কথা লিখতে ইচ্ছা হোল। তোমার মুখের দিকে চেয়ে কথা বলার ইচ্ছে থাকলে কোনদিন বলা হয়নি, আর সবার মত আমারো ভীষণ ভয় হত। শুধু দূর থেকে দেখেছি পূর্ণিমার চাঁদ দেখার মত। আমার বন্ধুরা বলত সম্রাজ্ঞী খুব অহংকারী। আমার কিন্ত তা মনে হয়নি। কারণ আমার মনের কথা তুমি ঠিক বুঝে নিতে পেরেছিলে, যে ফণীভূষণের কলম বিগড়েছে। আমার এমন প্রাচীন নামে প্রথম পরিচয়ে কুণ্ঠাবোধে সব সম্পর্ক দমে যেত। ভাবলাম কলম ফেরত দেবার সময় কিছু কথা নিশ্চয় হবে, সেকথা ভেবেই মনের ভিতর ফল্গুনদীর প্রবল স্রোতের ধারা। নিজের কাছেই নিজেই লজ্জা পেলাম। তারপর তোমার সাথে দেখা হয়নি আর কোনদিন কলেজে আসনি। জানিনা কেন? তবে তোমার কলমে এখনো দিব্যি লেখা পড়ে, যখন যা মনে আসে লিখি। জানিনা সে গুলো তোমায় নিয়ে কবিতা কিনা?

ASIT KUMAR ROY's picture
জল জঙ্গল পাহাড় মাড়িয়ে সে

ASIT KUMAR ROY 2 সপ্তাহ 23 ঘন্টা আগে

জল জঙ্গল পাহাড় মাড়িয়ে সে আসছে
গঙ্গোত্রীর উৎস থেকে নদী ঝর্ণা পেড়িয়ে আসছে।
প্রাণঘাতী গরম হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডা মেখে আসছে;
পবিত্র মন্তরে হয়ে গেছে আলোর নব্যধারা।
আসছে আসছে সে নিয়ে আসছে মুক্তির খবর।

যত সে এগিয়ে আসছে ঘরের উঠানের কাছে
সবাই যেন একে একে জানালা বন্ধ করছে।
ঘর ভর্তি অসুখ, মায়ের বাবার আপনজনের।
আবার সেই দৌড় ঝাঁপ, গেল গেল গেল
হাসপাতাল আর ঘর ওষুধ,
মুক্ত পাহাড়, ঝর্না কথা সবই ভুল।

তুমি আমি আমরা সবাই ক্রমাগ্রত
ঘুরে চলেছি অনবরত সৌর সংসারের মত।
কেউ কাউকে চিনিনা জানিনা ব্যাজার মুখ;
একদিন হয়তো ছিলে আপনজন আজ ভীষণ পর
তোমার দেশ বিদেশ বসবাস, কেমন আছো?
জানিনা আর জানতে ইচ্ছা করেনা
সবাই আমরা যে যার মত ঘুরে চলেছি।

ASIT KUMAR ROY's picture
১) কি জানি কি হচ্ছে এগোচ্ছি

ASIT KUMAR ROY 1 সপ্তাহ 5 দিন আগে

১)
কি জানি কি হচ্ছে
এগোচ্ছি না পিছিয়ে যাচ্ছি
দিনে দিনে যতটুকু মনে হচ্চে
সত্যযুগে ফিরে চলেছি।
২)
মজার কথায় জাগে ব্যথা
কি চেয়েছি আর কি পেয়েছি।
অন্তরেতে অশ্রু ঝরে ঝরে পড়ে
মানুষ বুঝে নেয় যাপিত মন্তরে?
৩)
জ্বলছি নিত্য শুধু জ্বলছি
পুড়ছি পুড়ে পুড়ে খাক হচ্ছি;
ভাত ঘুমে কেউ হাই তোলে
কেউ যায় চকিতে ঠিকানা ভুলে।
৪)
দ্রোহের আগুন উঠে আসছে
এক্কেবারে মাটির গভির অংশে।
নিশ্বাসের বিশ্বাসে ধিরে ধিরে
উত্তাপ ক্রমাগ্রত বেড়ে চলেছে।
বুঝতে হবে তুমি শুধু একা নও
অনেকেই আছে আশে পাশে সকাশে।
ওরা আর কেউ নত্জানু নয়।
শিরদাঁড়ায় বজ্রের অহংকার জেগেছে।

ASIT KUMAR ROY's picture
দারুন সে দিনরাত্রি

ASIT KUMAR ROY 1 সপ্তাহ 4 দিন আগে

দারুন সে দিনরাত্রি ছিল
মেঘভাঙ্গা রোদ বৃষ্টি ছিল
ঝালমুড়ি সাথে খুনসুটি ছিল
আর দুষ্টুমিষ্টি সব গল্প ছিল।
বন্ধুরা সব কে যে কোথায় গেল
কারোর কোন খবর আসেনা
একলা একলা ব্রিজের ধারে
ভাল্লাগেনা ভাল্লাগেনা ভাল্লাগেনা।
যদি পারিস আসিস মিলন মেলায় আসিস।
জমিয়ে সেদিন আড্ডা হবে অনেক
পারলে সেদিন সবার সাথে রাত্রি জাগিস।

আমার সাথে সেও ছিল
বাঁশ বাগানের গল্প ছিল।
সবুজ অবুঝ প্রেম ছিল
যুদ্ধ জয়ের জীবন ছিল।
মন খারাপের রাত্রি ছিল
রাগ ভাঙ্গাণোর মন্ত্র ছিল।
লুকিয়ে দেখার শরম ছিল
স্বপ্ন দেখার সাহস ছিল।
এখন অনেক কিছু আছে আছে
তাতে কি আর এ মন বাঁচে!

সে বুঝি আজ খুব অচেনা
কোথায় গেছে দেয়নি ঠিকানা।
সে না এলে আসর জমে নাকি!
কবে কখন দিল এমন ফাঁকি।
আর কোনদিন সে আসবেনা
আমাদের দলে নাম রাখবেনা।
ভুবনডাঙার মাঠ দেখার
তার যে ভীষণ ইচ্ছা ছিল।
তবু দুয়ার থাকবে খোলা
আসে যদি সেই পথভোলা
গান শোনাবে খোলা গলায়
হোক বেসুরো তবু শুনব সবাই।

ASIT KUMAR ROY's picture
আজ এই শ্রাবণে ঝরেছে প্রথম

ASIT KUMAR ROY 1 সপ্তাহ 3 দিন আগে

আজ এই শ্রাবণে ঝরেছে প্রথম বৃষ্টি
তোমায় গান শোনাব প্রিয়।
সেই গানের চেনা ফুলের সুবাসে
নদীর জলে জ্যোৎস্না এসে মেশে;
তুমি তখন অচিনপুরীর কন্যা
নিজের আলোয় আলোকিত বন্যা
ধন্য হতে প্রিয় পরশটুকু দিও।

কোন সওয়াল জবাব নেই
শুধু আঁধার পেরিয়ে যাওয়া।
মাঝে মাঝে মুখোমুখি চাওয়া
নদীর জলে স্বপনতরী বাওয়া।
মাঝে মাঝে সুরের ধারায় ধারায়
মিষ্টি হাসির ঝিলিক ছড়িয়ে দিও।

পালতোলা নাও সুদূরে যায় ভেসে
অসীম আকাশ নীল পরীদের দেশে।
বাজে বুকে বৃন্দাবনী বাঁশি
রাতের বুকে ঘুমায় সোহাগ নিশি।
ধীরে ধীরে তুমিও জলসাঘরে এস
মনের মুকুরে নয়ন মেলে দিও।



নতুন মন্তব্য পাঠান

  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <b> <font color> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <small>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • You may use [inline:xx] tags to display uploaded files or images inline.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.
  • You may use <swf file="song.mp3"> to display Flash files inline