সন্দীপনের রাধাচরিতমানস -পর্ব দুই

আজ গল্পের দ্বিতীয় পর্ব - ঈশ্বর জানেন কি রকম নামছে ! তবে কয়েকজন সময় ব্যয় করে পড়ছে বলে এ সপ্তাহে এ পর্বটা নামান গেল ! উত্সাহী জনতা পেলে তৃতীয় পর্ব দেওয়া যাবে ! পাঠককে একটা অনুরোধ - গল্পের খাতিরে প্রথম পর্বটা একবার ঝালিয়ে নিলে মন্দ হয়না !
দুই
কিচ্ছু ভাল লাগছে না সন্দীপনের। মাথায় কিচ্ছু আসছে না। গত সপ্তাহের পর্বটির পর, সুধীজনের প্রশংসায় তার ঝুলি ভরেছে, কিন্তু সম্পূর্ন হয়নি। সেই পরম পাকা কৃষ্ণকলি এক্কেবারে চুপ, কোনো ফোন কল নেই। যোগাযোগের কোনো মাধ্যমই সে দেয়নি। প্রবলভাবে একতরফা আক্রমণ।
অত্যন্ত অন্যায়, সন্দীপন একটু রেগে গেলেন মনে মনে। তারপর ভাবলেন, কি বা আসে যায় তাতে তার, অজানা অচেনা খরশান বাক্যবাহিনী একজন সমালোচকের ভাল মন্দ নিয়ে । নিজের ওপর একটু ক্ষুব্ধ হলেন সন্দীপন।
নতুন আঙ্গিকে " শ্রীরাধাচরিতমানস" পর্বটি শেষ হয়েও শেষ হচ্ছেনা। পাঠক-পাঠিকাকুলের অশেষ দাবি, সাথে প্রকাশকেরও। গত সপ্তাহের পর্ব শেষ হয়েছে অভিমানিনী শ্রীমতী তার শ্যামের সাথে সব সম্পর্ক শেষ করবেন জানিয়ে । শ্যামসুন্দর শ্রীরাধার মানভঞ্জন এর জন্যে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন, কিন্তু বরফ গলেনি। অভিমানিনী রাইকিশোরী, রাঙা থমথমে মুখে গম্ভীর মুখে শ্যমরায়ের সমস্ত অনুরোধ, উপরোধ অগ্রাহ্য করেছেন। সব বিফল দেখে রাখালরাজ শেষে বলেছেন,
“স্মর-গরল-খণ্ডনং মম শিরসিমণ্ডনম্ দেহি পদপল্লবমুদারম্ !”
সোজা কথায় -ও পিয় সহি, এই দেখো, মাথায় নিলাম তোমার ওই কুসুমকোমল সুন্দর চরণদুটি, প্রিয়তমা, কম সে কম এবারে তো ক্ষমা করো !
নাহ্, এর পর কি ?
রাধা কি সব ভুলে আবার তার শ্যামের কণ্ঠলগ্না হবেন ? কিন্তু কি করে ?
সন্দীপন মনে মনে বলে উঠলেন, "হে শ্যামসুন্দর প্রেমাবতার, হে রাখালরাজা, তুমিই পথ বলে দাও, ভীত জয়দেব যা সাহস করে লিখতে পারেন নি, সেদিন তুমিই যেমন স্বয়ং নিজের হাতে জয়দেবের তালপত্রে লিখে গিয়েছিলে, সেই অসাধারন কালজয়ী শব্দবন্ধ - "দেহি পদপল্লবমুদারম্ !" তেমনি আজ পথ দেখাও বিপদতারণ !
তেমনতরো প্রেম থাকলে স্বয়ং ভগবান প্রেমে বিকিয়ে যান, প্রেমাস্পদার পদযুগল মাথায় নিয়ে বলেন,- ওগো, আমি তো প্রেমের কাঙাল, পায়ে ধরছি, সামান্য কিছু প্রেম আমাকেও দাও !"
আজ দোল, একটু গরম লাগছে দেখে দক্ষিণের জানলা খুলে দিলেন সন্দীপন। হাওয়াতে মৃদ সুগন্ধ। প্রত্যেক বাতাসের নিজস্ব সৌরভ আছে, সতন্ত্র পরিচয়পত্র।
যদিও সন্দীপন দোল খেলেন না বহুদিন, তবু কারণবিহীন ভাবে দোলের দিন মন উচাটন হল সন্দীপনের। মনের অগোচর পাপ নেই, সেই খরভাষিনী, বিশ্বপাকা মেয়েটির কথাই মনে এলো। কি ক্ষতি হতো তার আজ একটু ফোন করলে, কথা বললে ? নাহয় আরও দুটি তীক্ষ্ণ জ্বালা ধরানো সমালোচনাই করতো পাকা মেয়েটা।
অজান্তেই সন্দীপন একটা লম্বা শ্বাস নিলেন।
বাইরে রাস্তায় বেশ কিছু ছেলেপিলে হৈ হৈ করে হোলি খেলায় মেতেছে, সন্দীপন নিজের ছোটবেলার দিনগুলো ভাবলেন, একটু বিষণ্ণ হলেন কিনা বোঝা গেলনা।
টং টং, বেল বাজলো। এ সময় আবার কে এলো ! সন্দীপন ভাবলেন আব্দুলকে ডাকবেন, কিন্তু আব্দুল ছাতে, টবের গাছগুলোতে জল দিতে গেছে। শুনতে পাবেনা। সন্দীপন নিজেই উঠলেন। দরজা খুলে দেখলেন, একটি সুকুমার মতি কিশোর, চোখে বিরভদ্দর চশমা, একটা ঝোলা ব্যাগ কাঁধে নিয়ে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে।
কি ব্যাপার জিজ্ঞেস করতে একটা এ ফোর সাইজের প্রিন্টেড কাগজ ধরিয়ে দিল।
সন্দীপন পড়ে বুঝলেন, ছেলেটি ডেফ এন্ড ডাম্ব স্কুল থেকে আসছে, এবং কিছু বিক্রি করতে চায়।
সন্দীপন ভাল করে তাকালেন কিশোরটির দিকে, কমকান্তি দিব্য দেখতে ছোকরার এখনও গোঁফদাড়ি গজায়নি। চোখে গাবদা চশমাটি বেশ ভাল পাওয়ারের, মুখের তুলনায় বেশ বড় ! ছোকরার মুখে সারল্যের একমুঠ হাসি।
সন্দীপন হাত হেলিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কি এনেছে সে। ছোকরাটি কাঁধের ব্যাগ খুলে বেশ কয়েকটি আবিরের আর রঙের প্যাকেট বের করে তার হাতে দিয়ে একমুখ হেসে তার দিকে তাকিয়ে রইল।
সন্দীপন ইশারায় বোঝনোর চেষ্টা করলেন যে এগুলিতে তার কোনো প্রয়োজন নেই, কিন্তু কি করে বোঝাবেন ভেবে পেলেন না। প্যাকেটগুলো ছেলেটির হাতে ফেরত দিয়ে মৃদু হেসে হাত নেড়ে নিজের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন যে তার এটি কোনো কাজে আসবে না।
ছেলেটি কিছু বুঝলো বলে মনে হলো না। হাসিমুখে চেয়ে রইল তার মুখের দিকে। তখন সন্দীপন ইশারায় বললেন, বেশ, তিনি এক প্যাকেট নেবেন, কিন্তু একটু অপেক্ষা করতে হবে, টাকাটা ভেতর থেকে আনতে হবে।
একগাল হেসে সুকুমার কিশোর ঘাড় হেলিয়ে বললো ঠিক আছে।
একশ টাকার নোটটা নিয়ে, ছোকরা ভাবনায় পড়লো মনে হলো, সম্ভবত খুচরো নেই। দাম তো আশি টাকা লেখা আছে প্যাকেটে। খুচরো টাকা খুঁজছে, ব্যাগ হেলিয়ে একটা একটা করে ছোট ছোট আবির এর প্যাকেট বের করছে ছেলেটা। একটা প্যাকেট বোধহয় খোলা ছিল, তুলতেই হঠাৎই হড়াস করে প্যাকেটের আবির পড়ে গেল। খানিকটা পড়ল সন্দীপনের গায়ে, বুকে, বেশ খানিকটা পায়ে। সন্দীপন নিচু হয়ে পরিষ্কার করতে যাবেন, থতমত বিব্রত কিশোর তার আগেই নিচু হয়ে হাত দিয়ে সন্দীপনের পায়ের পাতায় আবির তুলে ফেলতে লাগলো।
‘আরে কি করছো কি করছো’ বলতে বলতে সন্দীপন পা সরিয়ে নিলেন। পিছিয়ে এসে ছোকরার কাঁচুমাচু মুখের দিকে তাকিয়ে তার করুণা হলো, তিনি হাত হেলিয়ে বললেন, যে বাকি ফেরত তার প্রয়োজন নেই। ছোকরা কি বুঝল কি জানে, গাবদা চশমার আড়ালে ছোকরার চোখ চিকচিক করে উঠলো, মনে হলো সন্দীপনের।
ছোকরা গুটি গুটি পায়ে লনের রাস্তাটুকু পেরিয়ে গেট দিয়ে বেরিয়ে গেল।
পায়ে হাত ছোয়ানোর অনুভূতিটা রয়ে গেছে, যে কারণেই হোক, আবির হোক বা হাতের স্পর্শ।
আব্দুল নিচে নামছে, পায়ের আওয়াজ পেয়ে সন্দীপন ডাক দিলেন, সিগারেট ফুরোবে, আনতে দেবেন, পাঞ্জাবিটা কাচতে দিতে হবে, গোটা বুক লাল হয়ে গেছে।
সন্দীপন লেখার টেবিলে বসে সিগারেট ধরালেন, আব্দুলকে পাঞ্জাবিটা ওয়াশিং মেশিনে দিতে বলে, একটা পাঁচশ টাকার নোট দিয়ে মোড়ের মাথার দোকানে পাঠিয়ে ভাবতে বসলেন পরের পর্বের কথা।
বাইরে গলির মুখে দুটি বোষ্টুম বোষ্টুমি সুর করে গাইছে - সন্দীপন কান পেতে শুনলেন - আখর!
“মানিনি আব উচিত নহিঁ মান। এখনুক রঙ্গ এহন সন লগইছি জাগল পয় পচোবান।"
শুনে মৃদু হাসলেন কি সন্দীপন ? এককালে কিঞ্চিৎ রাগ রাগিনী নিয়ে নাড়াচাড়া করেছিলেন সন্দীপন- বুঝলেন দেশ রাগ, সাথে কাহারবা তালে শ্রীখোলে সঙ্গত করছে ওদের মধ্যেই কেউ !খুব সুন্দর গাইছে দুজনে !
এ তো অনেক পরের কথা – এখন এ শুনে লাভ কি সন্দীপনের ! আপাততঃ তিনি খেই হারিয়ে ফেলেছেন, “পদ পল্লব মুদরম” এর পর কি হতে পারে, কি, কি!!
মিনিট পাঁচেক পর আব্দুল ফিরে সিগারেটের প্যাকেট দিয়ে বললো, "দাদা, আপনি কি কিছু কিনলেন এক্ষুনি কোনো সেলসম্যানের থেকে?"
"হাঁ, কেন?"
ওই তো বাড়ির সামনে একটা ইয়াং ছোকরা কুড়ি টাকা দিল আপনাকে দিতে বলল, "ফেরত"।
কি করে বুঝলি ফেরত আর সেটা আমাকে?
"ছেলেটা বলল যে!"
"বললো? না, হাত নেড়ে বোঝালো?
"হাত নাড়বে কেন, পরিষ্কার বাংলায় বলল তোমার দাদা সন্দীপন বাবুকে এটা দিও।"
আব্দুল হাত বাড়িয়ে কুড়ি টাকার নোটটা দিতে, ভাঁজ খুলে সন্দীপন দেখলেন ছোট্ট একটা চিরকুট, ছোট ছোট হেলানো ছাঁদে লেখা, "পদ-পল্লব-মুদরম ফেরত দিলাম, রাঙিয়ে ! বাসন্তী শুভেচ্ছা সহ !"
সন্দীপন বাকরুদ্ধ ! স্তম্ভিত ! এ তার কল্পনারও অতীত !
সে এসেছিল, এক লহমায় তাকে ভিতরে বাইরে রাঙিয়ে দিয়ে, ভানুমতির খেল দেখিয়ে, চোখের সামনে মিলিয়ে গেছে। সন্দীপন জানেন তাকে বাইরে গিয়ে খোঁজা শুধু নিষ্ফল তাই নয়, এমন সুন্দর ব্যাপারে একেবারে খাপ খায়না, ছন্দপতন হয়।
সন্দীপনকে সে রাস্তা দেখিয়ে গেছে।
খাতা কলম টেনে সন্দীপন লিখতে শুরু করলেন,
"হোরি সমাগত, ফাগের আর আবিরের রং উড়ছে বৃন্দাবনের আকাশে বাতাসে। ফাল্গুনের মধুগন্ধ বাতাস আকুল হয়ে পাগলামি করছে নীল যমুনার জলের সাথে। কিন্তু নন্দকিশোর তমাল বনে মন খারাপ করে বসে, একা ! হোরি খেলা কেন, কোনো কাজেই আজ তার মন নেই, তার কমলিনী বিনোদিনী, তার রাইকিশোরী তাকে ছেড়ে গেছেন, আর আসবেন না বলেছেন !
নিধিবনের বাইরে, যমুনার অন্য তীরে, রাই কিশোরী সখীদের ডেকে বললেন, "আজ তোরা আমায় পীত বসনে কিশোর বালক করে সাজিয়ে দে, আজ আমি তোদের রসিক চূড়ামনিকে ঘোল খাইয়ে ছাড়ব। দেখি সে একাই ওস্তাদ কিনা !
বিরহ-সন্তপ্তা অভিমানিনী মনে মনে বললেন, “আজ আমি পদপল্লব মুদরম ফেরত দেব প্রিয়, দেখি আমায় তুমি চিনতে পারো কিনা।
বৃন্দাবনের সমস্ত আকাশ, বাতাস, তমালবনরাজী নতুন রঙ্গ দেখতে আকুল, কেবল নীল যমুনার জল ছলাৎ ছলাৎ শব্দে হাসতে লাগলো।"
বোষ্টুম বোষ্টুমি গলির মুখে ফিরে এসেছে আবার, এবার বাড়ির সামনে সুর করে গাইছে - সন্দীপন কান পেতে শুনলেন - বিদ্যাপতির আখর –
- সখি কি পুছসি অনুভব মোয়,
‘জনম অবধি হাম রূপ নেহারলুঁ নয়ন না তিরপিত ভেল।
লাখ লাখ যুগ হিয়ে হিয়ে রাখলুঁ তব হিয়ে জুড়ন না গেল।।
সন্দীপন এর বাগানে নিলাজ কোকিলটা কুহু কুহু শব্দে ডেকে উঠলো।
সন্দীপন আব্দুলকে উদ্দেশ্য করে চেঁচিয়ে বলে উঠলেন, "আব্দুল, পাঞ্জাবিটা কাচিস না, আলমারিতে সাবধানে পাট করে রাখ।“



জয়ন্ত ঘোষ 2 সপ্তাহ 5 দিন আগে
প্রথম পর্বটা ঝালানোই ছিল, এই পর্ব যাকে বলে সুপার ডুপার এ ক্লাস
m.c. 2 সপ্তাহ 5 দিন আগে
Fabulosa
রুকু 2 সপ্তাহ 4 দিন আগে
"নিধিবনের বাইরে, যমুনার অন্য তীরে, রাই কিশোরী সখীদের ডেকে বললেন, "আজ তোরা আমায় পীত বসনে কিশোর বালক করে সাজিয়ে দে, আজ আমি তোদের রসিক চূড়ামনিকে ঘোল খাইয়ে ছাড়ব। দেখি সে একাই ওস্তাদ কিনা !
বিরহ-সন্তপ্তা অভিমানিনী মনে মনে বললেন, “আজ আমি পদপল্লব মুদরম ফেরত দেব প্রিয়, দেখি আমায় তুমি চিনতে পারো কিনা।
বৃন্দাবনের সমস্ত আকাশ, বাতাস, তমালবনরাজী নতুন রঙ্গ দেখতে আকুল, কেবল নীল যমুনার জল ছলাৎ ছলাৎ শব্দে হাসতে লাগলো।"
লা জবাব প্লটের বিস্তার
Goppobaj 2 সপ্তাহ 4 দিন আগে
আর পরের পর্বগুলো দিয়ে খুব একটা লাভ দেখিনা, কারণ স্পষ্ট, লেখাটা উৎরয়নি, শতকরা দেড় জন মানুষের ওপর কোনো ছাপ ফেলেছে বলে মনে হয়না।
অনেক শুভেচ্ছা আর ধন্যবাদ রইল পাঠক পাঠিকাদের জন্য। বিশেষ করে যারা এই সব ইন্টেলক্ট হীন বেকার ট্র্যাশ গল্পকে সমাদর করে মন্তব্য করেছেন, উৎসাহ দিয়েছেন কেবল নিজেদের মহতী গুণে
ঝর্না 2 সপ্তাহ 4 দিন আগে
অপূর্ব লেখা। কোথাও কোনও কমতি নেই। বলতে বাধ্য হচ্ছি, হিংসে হলো খুব।
মানে লিখিয়ের উপর। খুব ভালো লেখেন। সুতরাং পরের পর্ব আসুক।
আর একটা জিনিস বলি, এই মঞ্চ বড় অদ্ভুত। ভালো লেখারা কখনো হারায় না। তাই যারা পড়ার অবশ্যই পড়ে যাবেন। এবং মন্তব্যও।
লেখা হোক। বিশ্ব পাকা মেয়েটি শেষমেশ জব্দ হলো নাকি সন্দীপন আবারও ভোম্বল হলেন দেখার/পড়ার অপেক্ষা বাড়লো।
Goppobaj 2 সপ্তাহ 4 দিন আগে
আপনাকে অনেক আন্তরিক ধন্যবাদ।
ঐশী 2 সপ্তাহ 4 দিন আগে
‘সেই খরভাষিনী, বিশ্বপাকা মেয়েটির কথাই মনে এলো’
মনে হচ্ছে, এটা গল্প হলেও সত্যি
gg 2 সপ্তাহ 4 দিন আগে
দা - রু - ণ
kalyan 2 সপ্তাহ 4 দিন আগে
চমৎকার লাগল
kalyan 2 সপ্তাহ 4 দিন আগে
পর্ব একও পড়েছি, মনে পড়ছেনা মন্তব্য করেছি কিনা
ট্রিলোজি হলে মন্দ হয়না বৈকি
হিয়া 26 2 সপ্তাহ 4 দিন আগে
বেশ তো জী! হোক না ট্রিলজি - টেট্রালজি - !
বীথি 2 সপ্তাহ 3 দিন আগে
দারুণ গল্পটি
গপ্পোবাজ 30 2 সপ্তাহ 3 দিন আগে
আচ্ছা বেশ, রাজি, পরের পর্ব বিষ্যুত বার !
নতুন মন্তব্য পাঠান