শুধু কবিতার জন্য

রক্তিম
শুধু কবিতার জন্য
- (রক্তিম)
সেই আমি অপেক্ষা করি
খাতার ভাঁজে শুকনো শব্দ
কবে ওরা জেগে উঠবে বলবে
-তুমিই স্রষ্টা আমাদের জীবন সার্থক করো
আমরা কবিতা হতে চায়।
একদিন ওরা হৃদয়ের কথা বলত
আমি নিঃশব্দে সে কথা অন্তরে রাখতাম।
সময়ের স্রোতে হারিয়ে ফেলেছি ঠিকানা;
আজ দেখি ওরা আমায় চিনে এসেছে
ওরা সবাই আছে একে একে ক্রমান্বয়ে
কবিতার সুচিপত্র সাজে সেজে।
কবে কোন ছোটবেলায় চাঁদ চিনিয়েছিল,
তখন থেকেই জানি বুঝি মানি
সে আমার বড় আপনার জন।
দুই পক্ষের সুখে দুঃখে তাঁর সাজানো সংসার।
আমার সব কথা সে যেমন জানে
আমিও তেমন খুঁজে পেতে নিই।
ওর হীরক কুচির যাবতীয় জ্যোৎস্নার রূপকথা।
রাখি, আমার কবিতার খাতায়
ওরা যেন এক একটা নদীর জন্ম দেয়।



ASIT KUMAR ROY 5 দিন 9 ঘন্টা আগে
শুধু তোমার জন্য প্রিয়
এ জীবন তোমায় দিলাম
আঁধার ভরা জীবনে দ্বীপ জ্বালো
আমার সকল নিয়ে সম্পূর্ণ করো।
খুলে দাও বন্ধ দুয়ার
দেখ দেখতে দেখাতে থাক স্বপন
আগামীর একদিন প্রতিদিন
তোমার সাথেই করব যাপন।
ঝড়ের রাত্রি এলে ভয় পেওনা
হাতে হাত রেখে হবো ঝড়ের মুখোমুখি
নতুন দিন আসবেই
ছুঁয়ে ছুঁয়ে থেকো আর খুশি থেকো
ফসলে ফসলে নতুন সাড়া।
চারটে দেওয়াল মাথার উপর ছাদ
যেন কত কত আপনজন।
বলছে এসো বসে থাকো নিত্যকর্মে
তোমাদের ঘামে শ্রমে অর্থে আমি আশ্রয়।
আজ মঙ্গলঘটে ধূপ ধুনো আরতি।
গৃহপ্রবেশে করো এ জীবন ধন্য।
ASIT KUMAR ROY 3 দিন 10 ঘন্টা আগে
সারারাত শুধু দৌড়ে গেছি
রোগী কেমন আছেন?
খুব ক্রিটিক্যাল এখন বলতে পারছিনা।
ইমারজেন্সি এই ওষুধটা লাগবে নিয়ে আসুন।
ঠিক আছে এখনি এনে দিচ্ছি ডাক্তারবাবু।
উনি ভালো হয়ে যাবেন তো?
রোগী দুষ্প্রাপ্য রক্তের মানুষ,
আমাদের কাছে স্টক নেই।
যেখান থেকে পারবেন দ্রুত নিয়ে আসুন।
কোথায় পাব? কোথায় যেতে হবে যদি বলেন?
সবই নিমেষে জোগাড় হোল।
ডাক্তারবাবু মানুষটা বাঁচবে?
দেখুন বিরক্ত করবেন না;
আমরাতো আছি আপ্রাণ চেষ্টা করছি।
প্রতিদিনের মত সকাল হোল
বিছানায় শুয়ে শুয়ে ঘেমে উঠেছি।
তাহলে কি এটা ছিল সম্পূর্ণ দুঃস্বপ্ন!
তাই যেন হয়।
ছেলেটা কাল বাড়ি ফেরেনি।
চিন্তা হয় একটা ফোন ও করেনি।
ফোনে উত্তর মিলেছে যান্ত্রিক মেসেজ।
সকালটা ঠিক সকাল বলে মনে হচ্ছিল না।
ASIT KUMAR ROY 2 দিন 8 ঘন্টা আগে
হিংসায় জাগে প্রতিহিংসা
এ যেন এক বিধ্বংসী নেশা।
রক্তের বদলে চায় রক্ত
হতেই হবে ক্ষমতার ভক্ত।
তুমি কি করবে সাথী
তুমি যে আলোর পথযাত্রী।
আঁধার ভেঙে চলতে হবে
পথ যে মাঝে পিছল রবে।
তবুও সাথে থাকতে হবেআল্র
পাহাড়টাকে ডিঙাতে হবে।
সোনা রোদ্দুর সকাল হাসে
স্ব্প্ন সকাল দৃঢ় বিশ্বাসে।
ASIT KUMAR ROY 1 দিন 8 ঘন্টা আগে
বুকের ভিতর আগুন কুড়ে কুড়ে খায়
চেনা মুখ চেনা সুবাস খুঁজে খুঁজে ফিরি।
এই অচেনা শহরে সবই অচেনা মুখ
কেউ হাসতে জানেনা
হাসতে চায়না
ঠিক যেন যন্ত্রের মন্ত্র বলে চলে
অল্প একটু হাসি আর গ্লিসারিন কান্না;
নিজের পথে নিজ নিজ পথে চলা।
আমি আর কোথাও যাই না
স্মরন সভায় যেতে মন চায় না।
আমার বাড়ির সামনে রাজপথ
সেখান দিয়ে সবার যাতায়াত।
বরষায় ভেজে রোদ্দুরে পিচ গলে
বসন্তে কৃষ্ণচূড়া রাধাচূড়া ঝরে।
দেখতে দেখতে কাটে দিন রাত
কেউ আমায় দেখে বিদ্রুপ করে
আমি আর কিছুই মাথায় রাখিনা।
জানি আমারো একদিন আসবে
শুকনো পাতার মর্মর ধ্বনি শুনব।
কেউ কেউ বলবে স্তুতি কথা
কেউ স্মরণে গান গায়বে কেউ শুনবে।
আমি ফ্রেমের ভিতর রয়ে গেছি
সেখানে নেই কোন স্পন্দন।
একটা না বলা নদীর কথা বলবে।
বার বার সেই চেনা গল্প যেন না হয়।
রাত জেগে জেগে শুনতে রাজী
বলবে বলতে চাও আজই চলে এসো
আমার যে ঘুম আসে না
যদি তোমার গল্পে ঘুম আসে।
সেই ডানা ভাঙা পাখীর গল্পটা বলবে
কবে যেন বলবে বলেছিলে।
আমার শোনা হয়নি,
ভীষণ শুনতে ইচ্ছা, তারপর কি হোল।
সে বেঁচেছিল ঝড়ের মুখে কি হোল তাঁর
তুমি বলবে আমি শুনব
যদি তোমার গল্পে ঘুম আসে।
দুধিয়া তাঁর বাচ্চাকে হাসপাতালে নিয়ে গেল।
ওর ছেলের যে ভীষণ অসুখ;
ডাক্তার বলেছিল এখানে চিকিৎসা হবে না।
শহরে নিয়ে যা, সেখানে সুস্থ হবে।
ও গেল কিন্ত আর ফিরল না।
ওর গল্পটা বলবে, ওকি আর ফিরবে না।
ওর ছেলে চিকিৎসা পেল?
সব শুনব শুনতে চাই তোমার কাছে
যদি ঘুম আসে নীল আমায় ডেকো না।
বাকিটুকু আবার শুনব আগামী দিনে।
ASIT KUMAR ROY 8 ঘন্টা 34 মি আগে
দারুন দহন দিন দয়া কর হে দিবাকর
দাও দাও এনে দাও কালবৈশাখী ঝড়।
প্রাণিকুল যত পৃথিবীর স্নিগ্ধ হোক পরান
সম্মুখেতে এসো কাজল ঘনশ্যাম সমান।
একতারাটার সুর বারে বারে হারাই
সেও ফিরে দেখেনা সুর আসেনা গলায়।
অভিমানে নদীর তীরে মিছেই অভিযান
মানুষের ভিড়ে তাঁরে খুঁজে খুঁজে হয়রান।
ওহে রুদ্র দুদণ্ড চক্ষু বুঝে ছায়া এনে দাও
স্বস্তি আসে খরার মাসে তৃষা মিটিয়ে যাও।
শুখা মাটি ধুঁকছে, ভিক্ষা মাগে তোমার কাছে
দাও দিবাকর সবে তোমার কাছে বৃষ্টি যাচে।
বৃষ্টিধারায় আসবে সে অমা রজনীর পূর্ণিমা সে
পরান যে তাঁর মিলাবে জুঁই চামেলির সুবাসে।
সৃষ্টি তোমার এমনি করে মুছে যেতে দিওনা
রুদ্র-রূপ ছেড়ে এবার হও অমৃত-ধারার ললনা।
নতুন মন্তব্য পাঠান