আমার স্বপ্নের মা

আমার স্বপ্নের মা
- (রক্তিম)
সত্যি সত্যি সত্যি চোখের সামনে ফুল ফোটার মতন করে সেই মুখটা ফুটে উঠলো। কপালে তার লাল টিপ চুল তার মেঘের মতন , খোলা বাতাস খেলে যায়। মুখ তার খুব চেনা চেনা। এক হাতে তার ফুলের সাজি অন্য হাত আমার মাথায়। আহ কি শীতল কি স্নিগ্ধ মায়া মাখানো। তার ছোঁয়াতেই চোখে যেন শান্তির পরশ । নতুন করে আবার ঘুমোতে ইচ্ছা করে। সে বলল -খোকা রাত্রে ধূম জড় এসেছিল, এখন কেমন আছিস। আমি চুপ করে শুনলাম বা বোঝাতে চাইলাম কিছু বলতে ভালো লাগছে না। তুমি আমার মাথায় এমনি করে হাত বুলিয়ে দাও। হাতটা বাড়িয়ে মাকে ছুঁতে চাইলাম। ঠিক তখনই টেবিলের উপর রাখা টেবিল ঘড়িটা ঝন ঝন করে বেজে উঠলো। আমি হাত বাড়িয়ে বন্ধ করতে চাইলাম। যে স্বপ্নটা আমি দেখছি সেই স্বপ্নটা যেন ভেঙ্গে না যায়। টেবিল থেকে পড়ে গেল খানখান শব্দে সাথে সাথে স্বপ্নটাও যেন ভেঙে গেল। তারপর, আতি পাতি করে বাতাসে মাকে খোঁজবার চেষ্টা করলাম। আমার মায়ের গায়ের গন্ধ হারিয়ে ফেলেছি। কষ্ট হয়েছিল।



রুভো 2 সপ্তাহ 6 দিন আগে
আমার মায়ের গায়ের গন্ধ হারিয়ে ফেলেছি।
অশ্রুসিক্ত করলেন
ASIT KUMAR ROY 2 সপ্তাহ 3 দিন আগে
এমন একটা দেশ ছোট বেলায় ফেলে এসেছি।
সে দিন ছিল সোনার মত উজল।
কিছু কিছু শব্দ শু ন তে বেশ লাগত
মন পাগল হয়ে ওঠত, যদি সে ডাক দিত;
আর কিছু আছে হৃদয় চমক লাগত
যেন কাল বৈ শা খী ঝড়...
সব ভেঙে চুড়ে ফেলবে করবে সর্বস্বান্ত।
স্বপ্নটা বারবার শুধু দেখতাম... আর দেখতাম।
সম্পূর্ণ হবার মুখেই শুনতাম...
জানলার শার্সি যেন ঝন ঝন শব্দে ভেঙে গেল।
আমার দেখা স্বপ্নেরা তাঁর আজ অগুন্তি টুকরো
একে একে ওরা বিদ্রুপ করতে থাকে!
ভাঙা টুকরোগুলো যত্ন করে তুলি জুড়বো বলে
আর রক্তাক্ত হয়ে যেতাম ...
কখন যে হাত কেটে যেত বুঝতেই পারতাম না।
আজো ভেঙে যাওয়া স্বপ্নের টুকরোগুলো জড়ো করি;
এ আমার ছোটবেলার অদম্য অভ্যেস
ছাড়তে পারিনি, কি জানি
হয়তো আর কোনদিনই পারব না।
ASIT KUMAR ROY 2 সপ্তাহ 2 দিন আগে
আজো কাব্য কবিতার নেই ছুটি
খাতার পাতায় যেতে হয় গুটি গুটি
জনগন তন্ত্রে সব্বায় দিতে যায় ভোট
আজ ওরা খেপে গিয়ে বেধেছে জোট।
ওরাও দৃঢ় সম্মত দিতে যাবে ভোট।
ভারী বুটের শব্দ গট মট গট মট
মন করে ভীষণ হাকুপাকু ছটফট ছটফট
নবীনে প্রবীণে নর নারী লম্বা সে লাইন
সান্ত্রীর ঈগল চোখে শাস্তি ভাঙলে আইন।
অঘটন যেন না ঘটে আজ যে ভোট।
অস্থির অসহায় জনগণ এবং নেতা
কি হয় কি হয়! কার হার কার জেতা!
যেন তেন প্রকারেন দেশসেবা করতে চায়
পাঁচ বছর নিশ্চিন্তে নেতা সে থাকবে ভাই।
কি হবে কেমন হবে? আজ যে ভোট।
কার ঘরে জল আলো কার হবে চাকরি
কে নেবে বাঁশ কে কঞ্চি কার বাখারি।
হবে হবে সব হবে চিন্তা কেন ভাই?
মরে মরে থাকবে বেঁচে জীবন সংশয়।
আঙুলেতে দাও কালি আজ যে ভোট।
ASIT KUMAR ROY 2 সপ্তাহ 1 দিন আগে
ওঠো জাগো দেশের যত সর্বহারা শ্রমিক
মালিকের দল হবেনা কখনো মানবিক।
ওরা জানে শুধু লাভের প্রাসাদ বানাতে
তাইতো পারিনা প্রতিদিন অন্ন জোটাতে।
কৃষ্ণচূড়ার ডালে আবার ফুটেছে ফুল
সময় হয়েছে এবার মুখোমুখি রুখে দাঁড়াবার।
এই দুনিয়া নিমেষেই হয়ে যাবে রসাতলে
যদি বন্ধ করি আমাদের দুটো হাত।
আমাদের ঘামে শ্রমে এই পৃথিবী সাজে
তবু কেন ভুখা পেটে জোটেনা গরম ভাত।
প্রশ্ন যখন মনে প্রাণে বলব সবাই চিৎকারে
সময় হয়েছে এবার মুখোমুখি রুখে দাঁড়াবার।
কতদিন ধরে শুনে যাব মিথ্যে আশার বানী
থামিয়ে দেব কলের চাকা বন্ধ তেলের ঘানি।
আমরা মাঠে ফসল ফলাই আমরাই থাকি ভুখা
আমাদের বাছা আকাশতলে কেন এমন ভাগ্যলেখা।
প্রশ্ন যখন মনে প্রাণে বলব সবাই চিৎকারে
সময় হয়েছে এবার মুখোমুখি রুখে দাঁড়াবার।
ASIT KUMAR ROY 2 সপ্তাহ 8 ঘন্টা আগে
আলো আশার অন্ধকারে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছি
কেউ কি আছ দিও একটু আলোর সন্ধান।
বুকের হাপরে শুধু শব্দ শুনি হাঁসফাঁস;
যেন অক্সিজেন ফুরিয়ে আসছে।
জলের উপরে মাছেরা যেমন খাবি খায়।
তবে আমার ঠিকানা বদলের সময় কি এল!
নীল আকাশের পাখিরা নীড় ছেড়ে পাড়ি দেয়
দুর থেকে দুরে আবার ফিরে আসে;
সন্ধ্যা নামলে নিজের ঠিকানায়।
সাথী খুঁজে গভীর রাত্রি কাটিয়ে দেয়।
আমিই শুধু একা নিয়ন বাতির মত
কেউ কি আছো... আমার সমুখে এসে দাঁড়াও।
হাজার রাত্রি পেরিয়েও দেখি, এখনো অনেক পথ।
সারা শরীরে বহু যুগের ক্লান্তি ছুঁয়ে আছে;
দাগ কেটে কেটে অগণন অগুন্তি সংখ্যা।
দুচোখে ভয় দেখে কারা যেন বিদ্রুপ করে।
যেন আমি দিশাহারা পথভ্রষ্ট পথিক।
ঠিকানাবিহীন একা একা পথ চলা অজানাতে।
ASIT KUMAR ROY 1 সপ্তাহ 6 দিন আগে
কবিতা যাকে ছুঁয়েছে সেই মরেছে
কারণে অকারনে কলম চিবিয়ে খায়।
ভাবখানা তাঁর মাথা বিক্রি হয়ে গেছে
আকাশ পাতাল ভাবে কি হবে উপায়।
এ পৃথিবীর যত কিছু শেষ কথা নয় কিছুই
দ্রোহ জাগে মনে প্রাণে ক্ষনেই ঘুমিয়ে যায়।
তবে মশা যে কারোর ভালো করে না
রক্তচোষা রোগের ডিপো যোঝা বড় দায়।
নতুন মন্তব্য পাঠান