বৃষ্টির একাকিত্ব

দোলনচাঁপা
" বৃষ্টির একাকীত্ব"
অন্ধকারে একা আমি
ভিজতে থাকি,
মাথার ওপর কোনো মেঘের ছাউনি নেই,
নেই কোনো চেনা হাতের ছোঁয়া।
শহরটা যখন ঘুমের চাদরে মগ্ন,
আমার জানলার কার্নিশ বেয়ে
নেমে আসে হাজারো স্মৃতির জলকণা।
বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটা যেন
এক একটা পুরনো কথা,
যা মাটির গন্ধে মিশে গিয়ে আমায়
মনে করিয়ে দেয়—
কিছু একাকীত্ব একান্তই নিজের,
কিছু ভেজা রাত কেবলই নিঃশব্দে
বয়ে যাওয়ার জন্য।
আমি ভিজি, আর আমার সাথে ভিজে যায়
জমানো সব অভিমান,
অন্ধকারের এই শীতল আলিঙ্গনে
নিজেকে নতুন করে খুঁজে পাওয়ার
এক অদ্ভুত নেশা জেগে ওঠে।



হিয়া 3 সপ্তাহ 5 দিন আগে
ভীষণ ভাবে স্পর্শ করলো, অত্যন্ত ভালো লিখেছেন !
ASIT KUMAR ROY 3 সপ্তাহ 4 দিন আগে
এভাবেই ভিজতে থাকি স্মৃতির বারিধারায়
যেমন করে ওই নেড়া পাহাড় ভিজে যায়।
আজ যেন গর্ব খর্ব, তাঁর করবার কিছু নেই
ক্ষয়ে ক্ষয়ে অবশিষ্ট আর কিছুদিনে ছাই।
একদিন এখানেই ছিল শাল মহুয়ার বনতল
বছর ঘুরে এসে যেত বসন্ত বৃষ্টি বাদল।
ঋতুচক্রে ওকে তখন চেনা যে বড় দায়
তীর ধনুকে কালবৈশাখী রুখে দিত একাই।
বাদলে অবুঝ শরীরে তাঁর ঘন ঘন জাগে রোমাঞ্চ
ভিজে যাওয়া পাতায় তখন হয়ে যায় খোলা মঞ্চ।
বলে এসো এসো আমায় নিবিড় আলিঙ্গনে মাতাও
আমার যা কিছু আছে প্রিয় সবটুকু তাঁর নিও।
শীতের স্পর্শে পাতা ঝরে সবাই তখন ঘুম ঘরে
হু হু বাতাস কেঁদে ফেরে মন যে কেমন করে।
বসন্তের জীয়নকাঠিতে প্রাণে লাগে নব জোয়ার
পলাশ মুকুটে আমিই রাজা খোলা আমার দরবার।
মহুয়ার মাতাল গন্ধে ছুটে আসে মধু পিয়াসী
হৃদসাগরে ঢেউ ওঠে উথাল পাথাল বাজে বাঁশি।
তারপর সব হারানোর পালা বনবালা সব উধাও
লোভী কড়াত কাটার দলকে তোমরা এখনি শুধাও।
কেন এমন মরণদশা হাল, কি ছিল আমার দোষ?
হারিয়ে গেলাম একেবারে লোভী দাবানলে সর্বশেষ।
মৈনাক 1 সপ্তাহ 5 দিন আগে
বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটা যেন
এক একটা পুরনো কথা,
যা মাটির গন্ধে মিশে গিয়ে আমায়
মনে করিয়ে দেয়—
কিছু একাকীত্ব একান্তই নিজের,
কিছু ভেজা রাত কেবলই নিঃশব্দে
বয়ে যাওয়ার জন্য।
????????????
মৈনাক
নতুন মন্তব্য পাঠান