রেয়া যাবেনা বলেছে, তো কি হয়েছে রে?
রবি, ২০২৬-০৩-২২ ১৩:০৭
ইশকুল নেই, অনন্ত ছুটির নাম এই উইকএন্ড
অতঃপর বৃন্দাবনের দিকে চলে গেল মেয়ে, গোলাপি অক্ষরে
কাগজের বুকে যেভাবে সেরে নেওয়া যায় স্নান
কবরী কি মনে রাখে সে জলবিন্দুস্মৃতি
স্নায়ুতে এনিগমার প্রথম সোপান ...
প্রত্যুষে যেভাবে নগর জেগে ওঠে, যে বালিকা রমণী হবে
অথবা যে কিশোর পুরুষ, অথচ আনত যে কবি তাহার ভিতর
লিখবেনা একটিও কবিতা সুচারু অক্ষরে, সে শুধিয়েছিলো
দু বিনুনীকে, মাঝখানে গুডগার্ল কী বাধ্য সিথি ...
‘ইশকুলের অ্যানুয়ালের পরে, মন্দারমণি যাবি’?
পেরেন্টসরাও যাবে, ফ্রেশ-ফ্রেশ ননস্টপ লংড্রাইভ
তার এক কথা, না, ওখানে ছেলেলি টপিক শুধু, কি
কি করব আমি তাহা ...?
প্রথম ব্যর্থতা যদি তেরো-বা-চোদ্দ জানে, এ ব্যর্থতা
রোমান্স নয়, অথবা উফ, নয় সেই প্রেমজ কুহক ... তবুও
এরও নিজস্ব সপ্ত কাহন থাকে, থাকে স্বর্ণ মোহর, হে বালক,
বিস্মৃতির সিন্দুকে রেখে দিও তাকে, হয়ো স্বার্থপর
এ শুধু একাকী তোমার, তোমার আহরণ ...
আসলে জীবনে থাকেনা কোনো প্রকৃত কবিতার চরণ
জোর করে ছন্দ আনা যায়? অথবা বিহগকে
কোনো পিঞ্জরহীন পিঞ্জরে? জীবনকে চেনা যায় শুধু ক্লান্তিকর
জ্বরে ... জিটিএ স্যানঅ্যান্ডেয়ার্স বা পিএসফাইভ থেকে
যদি সরে আসো, দেখো এ জীবন কিভাবে কাঁপে থরোথরো,
বহু সম্পর্কের সাদা-কালো-ধূসর আসলে আমাদের
জীবন রঙিন বেরঙিন করে, যেমন আদিগন্ত অর্থহীন ঢেউ
মন্দারসৈকতে ততদিন আছে, যতদিন সূর্য আছে
তারপর সব নিভে যাবে ... এই সত্য যদি
বোঝে কেউ কেউ, তাহাদের একজন হয়ো শুধু ... আর কিছু নয়
((অসম্পূর্ণ চিঠি কিশোরকে ...))
- আপাশ-এর অন্যান্য কবিতাপাতা
- এই পাতাটির ক্লিকসংখ্যা 190





রেবতী 29 সপ্তাহ 3 দিন আগে
যাকে বলে রিয়েলি কুল
চমৎকার লাগল
ASIT KUMAR ROY 29 সপ্তাহ 2 দিন আগে
তোর প্রশ্নের উত্তরে হারিয়ে যাওয়া একটা স্রোত আমায় জাগিয়ে দিল।আমাদের পাড়ায় রক ছিল মানে রোয়াক। সকাল দুপুর সন্ধ্যে সেখানে জমিয়ে আড্ডা ছিল।আমাদের সবুজ মাঠ ছিলনা, তাই পাড়ার পিচঢালা রাজপথ হয়ে গিয়েছিল খেলার মাঠ। ক্রিকেট, পায়ে বল (টেনিস) আরও অনেক কিছু ছিল। নিত্য বলের আঘাতে জানলার কাঁচ ভাঙা ছিল। কিছু বলবে বলে চকিতে লুকিয়ে পড়া ছিল। খেলতে খেলতে হাঁফিয়ে গেলে উকিল বাবুর লাল রোয়াকে জিরিয়ে নেওয়া ছিল। নাহ শুধু উকিল বাবুর নয় ডাক্তার বাবু চিন্তামণির ছিল কালো রঙের পাঁচ ধাপের সিঁড়ি। তা্র ভাই নীলমনির ও ছিল রাস্তায় নেমে আসা গাড়ি বারন্দার সিঁড়ি। পাড়ার বখাটে ছেলেদের উপেক্ষা করবার জন্য রক্ত গরম করা চোখের চাহনি ছিল, আবার কৃপা দৃষ্টির চোখ ও ছিল। কেননা ওরা নাহলে বিয়ে বাড়িতে কারা পরিবেশন করবে। রাত বিরেতে অসুস্থ হলে কারা হাসপাতালে ছুটবে। কারা হবে শশ্মানযাত্রী? অদিনে কুদিনে ওরায় যে পাশে এসে দাঁড়ায়। বলে মাসিমা কাকাবাবু কি হয়েছে আমাদের বলুন। এক মিনিটে সব সাল্টে দেব।
একদিন দেখি কোন মন্ত্রবলে উকিলবাবুর লাল রক গ্রিল দিয়ে ঘেরা হয়ে গেছে, ডাক্তার বাবু ও তথৈবচ আর নীলমনি বাবুর সিঁড়ি স্টোনচিপ দিয়ে মোড়া হয়ে গেছে। ব্যস মন খারাপ আমাদের রক হারিয়ে গেছে। দমে যাইনি বখাটে রকবাজ ছেলেগুলো, চাঁদা তুলে গুণ্ডিগাছের তলায় এল প্যাটার্নে্র রক বানিয়ে ফেললাম। ছেলে ছোকরাদের আনন্দ আর ধরেনা।পুজা কমিটির সভা রকে বসেই হবে শিতলা পালা, বিচিত্রানুষ্ঠান সব কিছুর প্রস্তাব সিদ্ধান্ত এখানেই নিতে হত। শীত গ্রীষ্মে বর্ষায় একটু জিরিয়ে নিতে রোয়াকের ভূমিকা অস্বিকার করা যায়না।
জানিস, অঙ্কুর তোরা কিন্ত রক কাকে বলে জানলি না। বহতল বাড়িগুলো এসে সবটা কেমন গোগ্রাসে গিলে নিয়েছে। একটা সময় মানুষকে বলতে শুনেছি রক কালচার.. ততটাও খারাপ ছিলনা। কত গান কত কবিতা কত হৃদয় ভাঙা জোড়া নিয়ে শিল্প সাহিত্য ছায়াছবি ছিল। সব কেমন কালের স্রোতে এক নিমেষে হারিয়ে গেল রে। বাকি কথা পরের চিঠিতে জানাব ঠিক আছে।
Dmc 29 সপ্তাহ 1 দিন আগে
"প্রথম ব্যর্থতা যদি তেরো-বা-চোদ্দ জানে, এ ব্যর্থতা
রোমান্স নয়, অথবা উফ, নয় সেই প্রেমজ কুহক ... তবুও
এরও নিজস্ব সপ্ত কাহন থাকে, থাকে স্বর্ণ মোহর, হে বালক,
বিস্মৃতির সিন্দুকে রেখে দিও তাকে, হয়ো স্বার্থপর
এ শুধু একাকী তোমার, তোমার আহরণ ..."
কেয়া বাত, কিশোর কি এটা পড়েছে?
এনা 28 সপ্তাহ 6 দিন আগে
দারুণ তো
kalyan 28 সপ্তাহ 2 দিন আগে
চমৎকার লাগল
নতুন মন্তব্য পাঠান