মর্মর প্রাসাদ

রক্তিম
মর্মর প্রাসাদ
- (রক্তিম)
আচ্ছা!
গরিবের হাড় দিয়ে প্রাসাদ বানানো যায় না!
তবে তাই হোক।
নবতম আশ্চর্যের আবিষ্কার হবে সে প্রাসাদ।
এই বিশ্ব বোধহয় তাই দেখতে চায়।
জগতে যত অসহায় মানব রয়েছে
আধপেটা ভুখা স্বপ্ন-হারানো দিশাহারা
ক্রীতদাস সম বেঁচে থাকা সব,
সাদা কালো জাত বেজাত উঁচু নিচু বিভেদে
হোক সবায়'কে এক্কেবারে
মরনের দিকে ঠেলে দেওয়া।
তাঁদের মরণের পর অযুত জমানো হাড়ে
রাতারাতি একটা প্রাসাদ রচনা হোক।
শ্বেত শুভ্র রাজহংসের মতো নয়নাভিরাম।
চাঁদের আলো যেন মুখ লুকায় লজ্জ্বায়
দেখলেই সে মর্মর প্রাসাদ।
আহা!
অহংকারী আছে যত দেশের মাথা
দেখবে আর চক্ষু সার্থক হবে তাহাঁদের।
গর্ব করে বলতে থাকবে বিজ্ঞাপনী ভাষায়
এই আমাদের ক্ষমতা প্রদর্শনের
আশ্চর্য মর্মর মঞ্জিল প্রাসাদ।
দেখো আর দেখতে থাকো, স্তুতি গাও মম।
মাথা নত করে থাকো, কীটের মতো বাঁচো
এতটুকু আগুন যেন না থাকে আঁধার অন্তরে।



m.c. 5 দিন 2 ঘন্টা আগে
Soul touching
ফাল্গুনী 4 দিন 12 ঘন্টা আগে
নিরালম্ব বেদানা থেকে দানা ভেঙে খাই
কারা যেন অসুখী মনে কারুকাজ আঁকে নগর দালানে
টাইপ সি টু পোর্ট থেকে উঠে আসে
অল্পস্বল্প দুঃখের কিছু আলগা ফ্রিকোয়েন্সি
হেরে যাব? নাকি আরো একবার তপস্যার মুখে
রাখব নিজের মুখ, প্রতিবিম্ব ছিঁড়ে ফেলে দর্শনে ডুবে গিয়ে
দেখে নেব, যা বোঝার নয় কোনোদিন, তাকেও হয়তো
বোঝা যাবে, সংশয়ে অথবা ?
ASIT KUMAR ROY 1 দিন 20 ঘন্টা আগে
তুমি একুশ শতকের নারী
তোমায় কি ভুলে যেতে পারি।
এক হাতে ঘরের খুঁটিনাটি অন্য হাতে বাহির।
দুই কূল রেখেছ অষ্টপ্রহর নিখুঁত পরিপাটী।
তাইতো তুমি অনন্যা অসামান্যা
তুমিই চোখের মণি একুশ শতকের নারী।
তোমাকে জ্বলতে হতো পতির চিতায়
সেদিন চলে গেছে কালের গহ্বরে।
তবু ও দেখি জ্বলে পুড়ে খাক হয়ে চলেছ,
নিত্য দিনের মায়া-সংসারে নিতান্ত অবহেলায়।
তাও মুখের হাসি কখনো হয়নি মলিন।
তাইতো তুমি অনন্যা অসামান্যা
তুমিই চোখের মণি একুশ শতকের নারী।
তোমাকে ছাড়া এই জগত সংসার অচল
তবু তুমিই নাকি নষ্টের মুল অবলা নিস্ফলা।
সৃষ্টির পথ রুদ্ধ হয়ে যেত তোমায় ছাড়া
সেই তুমিই যুগে যুগে লাঞ্ছিতা বঞ্ছিতা ধর্ষিতা।
আমি তো দেখেছি তুমিই সে অপরূপা লাবণ্যময়ী
ঝড় বৃষ্টিতে ছাতা, ক্ষুদায় তৃষায় স্নেহময়ী মাতা
আঁধার রাতে সাঁঝ সকালে নির্বিকারে সয়েছ ব্যথা।
অথচ আলোর সকালে সবায় দিব্যি ভুলেছে তোমায়।
কোথায় কেউ জানেনা!
পথে ঘাটে হয়তো বৃদ্ধাশ্রমে।
শোনো একুশ শতকের নারী
তুমি নও অসহায় তুমি যে আগুনগোলা;
তুমি সোচ্চার হও তুমি যে নির্ভয়া
প্রতি অন্যায়ে রুখে দাঁড়াও চুপ করে যেওনা।
বিচারের বানী সুপ্ত হতে দিও না।
তুমিই শক্তি, তুমিই সেই শক্তিরুপা দনুজদলনী
চিৎকার করো, একে একে শক্তি জড়ো করো
স্বর্গ মর্ত পাতাল রসাতল করতে পারো।
তাইতো তুমি অনন্যা অসামান্যা
তুমিই চোখের মণি একুশ শতকের নারী।
নতুন মন্তব্য পাঠান