নিখিলবঙ্গ শিক্ষক সমিতি
শনি, ২০২৬-০২-২১ ১০:১১ বই নিয়ে আজকাল খুব অবহেলা
পড়ছি এক বেলা
তো পড়ছি না
দুই বেলা
বই নিয়ে দারুণ অবহেলা
……….. আখেরুল হক
নিখিলবঙ্গ শিক্ষক সমিতি
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
ওরা চাঁদা তোলে
মোরা সামাজিক ও দূর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নই বলে
হাত পাতি সোজন্যবোধে
বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের প্রতি
রসিদ ছাপিয়ে দিন ধার্য করে শুভদিন
নিজেদের হিতৈষী মহারাজ মনে করে
সম্মেলন হবে রবীন্দ্র সভাঘরে
আগামি ১২ ই রবিবার সকাল ১০ ঘটিকায়
আপনার উপস্থিতি একান্ত কাম্য
আলোচনার মুখ্য বিষয়
বর্তমান দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি
অস্বাস্থ্যকর মিড ডে মিল
চালে পোকা কেন
স্কুলের ফিজ বৃদ্ধি
সিলেবাস পরিবর্তন
ঘন ঘন পরীক্ষা
ডি এ বঞ্চিত সরকারি কর্মচারী
হেড মাষ্টার কান চুলকায় কেন
চাঁদের আর একটা পিঠ কই
ইত্যাদি বিষয়ে আলোকপাত করা হবে
আমরা পেঙ্গুইন ভালোবাসি
কারণ আমাদের পেঙ্গুইন নেই
আমাদের স্কুল আকণ্ঠ ডুবে আছে স্মৃতিতে
যেহেতু আমাদের বাড়িতে স্কুল নেই
উটতি সময়টুকু আমাদের গ্যালিলিও নিউটন মিল্টনের
পিছনে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে
আমার আয়নাটা ষড়ভুজ হল আর দুনিয়াটা পিকাসোর
আমরা নিজেদের মহান ও খরস্রোতা ভাবতে আরম্ভ করেছি
নিঃশব্দ একা হইলে নিউটনের পড়ে আপেল
আমাদের পড়ে তাল
খোলা ছাদে মেঘহীন রাতের আকাশে দূরবীন উঁচিয়ে
কত তারকারাজি ছিটেফোঁটা ধোঁয়ার কুন্ডলী
সৃষ্টির কিছুই আমি মনে রাখি নি
মনে থাকে না মানবের আসল ইচ্ছাগুলো কী কী
ব্যক্তিগতভাবে আমরা কোথায় এক ও অভিন্ন
যখন সাদা বরফ দেখি ওগুলো আমার খেতে ইচ্ছা করে
স্যাকারিন ও সবুজ লাল রং মিশিয়ে
সে-সব জিনিসই অধিকতর আকর্ষনীয় যাদের
সুনির্দিষ্ট আকৃতি প্রকৃতি নেই
কত আকুতি মিনতি গ্যালিলিওর গণিত প্রেরণ করলাম
তবুও একটি তারকা ফিরে এল না
মাঝেমধ্যে আমরা পকীক্ষায় ফেল করতাম
কেউ কেউ আত্মহত্যাও করলাম
কেউ চাকরি পেয়ে বিভোর সংসারি
অনেকাংশ চাকরি না-পেয়ে
নাবালিগ সন্তানের মতন বেকার হয়ে গেলাম
কেউ কেউ বিবাহ সেরে ফেললাম অসুন্দরী বউ দিয়ে
সাংসারিক অপমানে কেউ আবার গলায় দড়ি দিলাম
বিদেশে পাড়ি জমালাম কিছুজন মা মেয়ে বউ থেকে দূরে
রামিজ মিঞা ইলেকট্রিক মিস্ত্রি শক খেয়ে গত বর্ষায় পক্ষাঘাত
যেজন ড্রাইভার তার দিনে রাতে ভয়
ক’জন কৃষক ভাই তাদের খাটুনি ও অশেষ ক্ষতি
পড়াশোনা ও জীবন চলতে থাকল ফাঁদ বরাবর
কেউ কেউ অসুখে বিলুপ্ত হয়ে গেল মরা খাটে শুয়ে
শুধু টিকে রইলো রবিনহুড চা-ওয়ালা
আসাম চা যতদিন সবুজ আছে
মগজে গ্যালিলিও ততদিন আছে
পিঁপড়ের ক্ষণজীবন দেখে মনে হয়
দূরে কোথাও অমরতা আছে
ওরা বাচ্চাদের বিকশিত মনের উদাহরণ দিল
বালির ওপর খেলতে খেলতে বাচ্চারা
বালিতে জল মিশিয়ে উঁচু উঁচু গৃহ নির্মাণ করে
কিন্তু শক্ত গু দাঁড়িয়ে থাকা স্থাপত্যের
কোনো আলোচনায় হল না
খামোশ !
ইতিহাস শুরু হয় পচা মাছ থেকে
আর মনস্তত্ত্ব আরম্ভ হয়
তোমায় সামনে পেলেই
আখেরুল হক
- আখেরুল হক-এর অন্যান্য কবিতাপাতা
- এই পাতাটির ক্লিকসংখ্যা 322





হিয়া 2 সপ্তাহ 2 দিন আগে
মুগ্ধ করলেন!!
m.c. 2 সপ্তাহ 2 দিন আগে
Fabulosa
এনা 2 সপ্তাহ 2 দিন আগে
দারুণ
সানি 2 সপ্তাহ 2 দিন আগে
আসাম চা যতদিন সবুজ আছে
মগজে গ্যালিলিও ততদিন আছে
পিঁপড়ের ক্ষণজীবন দেখে মনে হয়
দূরে কোথাও অমরতা আছে
এইটা দিব্য কয়েছেন
লেখাটা ভাল লাগল
ASIT KUMAR ROY 1 সপ্তাহ 5 দিন আগে
দারুন কিছু কথাকলি কবিতা।
অজানার আনন্দ নিয়ে এগিয়ে যায়
দেখতে চাই বুঝতে চাই বলে
এর পর হয়তো নতুন কোন দিগন্ত
নতুন কিছু হয়তো দেখব বা চোখে পড়বে।
কিন্ত কই সে একই তির্যক ভাষা
একই বিস্বাশঘাতকতা অপূর্ণ ভালবাসা।
একই ঘূর্ণাবর্ত আদি অনন্ত ঘুরে চলেছি
যেন চোখে ঠুলী পড়া কলুর বলদ।
আখেরে সত্যি বলতে আর কিছুই যেন নেই
সত্যি এটাই থেকে যাবে অপশাসন
আর থেকে যাবে আদি থেকে অনন্ত শোষণ।
বিভিন্ন ভাবে ক্ষত বুজিয়ে দেবার চেষ্টা
বিভিন্ন শ্রী দিয়ে ধুসর জীবনে রঙ ছুঁড়ে দেওয়া
আগুন আর ভয় দেখিয়ে জীবন শুষে নেওয়া
সব নাকি লাগে মায়ের ভোগ দিতে।
যুপকাষ্ঠ সাজানো আছে জনতা বলি হবে।
আহা কি আনন্দ আমাদের আত্ম-ত্যাগে
এই দেশের প্রভূত উন্নতি আসন্ন।
দেশ দেশান্তরে বার্তা, তাহাঁদের মুখ উজ্জল।
আমাদেরতো ছিলই আছে থাকবে
সেই ফুটা বাটি, আর ছেঁড়া ত্যানা।
তবু অযুত স্বপ্ন লালন করে বুকে রাখি
নুড়ি সাজিয়ে এগিয়ে যাই
যদি মুক্তির পথ খুঁজে পাই।
নতুন মন্তব্য পাঠান