অশ্রুতের ঘণ্টাপঞ্জি

জীবন এখন যেমন অনায়াস নষ্টের মহড়ায়
তামাদি সময় ফুটো করা অন্তহীন ভর
ভালবাসা যেমন স্তম্ভিত পুরোনো পৃথিবী
হয়ে দোরগোড়ায়,
অনেকাংশে ভাঙ্গা খেলনার মতো
মাটির ঈশ্বর
চেয়ে থাকা ক্লান্ত প্রতিভার অপব্যয়,
সওয়া পাঁচ আনা থেকে সোয়া বিলিওনে তুষ্ট মোকদ্দম ।
কবিতা লেখা কাষায় বস্ত্র পরা লোকটি
আজকাল গরম চাটু থেকে গরম পরোটা
খাবে বলে হাত ধুয়ে
বসে বসে শব্দের পাথর ভেঙ্গো না হরিদাস
ছন্দে ছন্দে পালাগান লেখো
খোকা বাবু তোর
প্রত্যাবর্তনে নিপল আর বিপ্লবের গভীর হাত
থাকলেও থাকতে পারে
তাই হাত পাত কি খাস কত হাতে কত চাস যদিও হাত
তালি দিতে পারলেই তালিবান আর
গালি দিতে দিতে গালিয়াথ হয়ে যাস খোকা
তাইতো দেহের সাথে সন্দেশ মেখে খেলে বেশ সন্দেহ হয়
কেননা ঈশ্বর আজকাল দিল ছেড়ে
ডিল চান কেন জান খোকন,
সেই দিই, এ নে গুলো ঘেঁটেঘুটে ঈশ্বরের
ডি এ নে তে জিনোমের ফলাফল প্রকাশ করেছেন
লালটাই পরা রুপোলি বিকৃতকাম রুপোলি মর্কট আর তার
করিৎকর্মা চাটু থেকে গরম পরোটা চাটার দল,
তাই কান্যকুব্জ থেকে পেন্টাগন ঈশ্বরবাবু
দণ্ডী কাটতে থাকুন,
কবি তালিবানের গরম পরোটা খেতে পারেন
আমি ও আমরা নেহাত সময়ের অপব্যয়
অন্তহীন ভরে অস্তিত্ব-সময়ের চাদরে বেকার ফুটো করি
কি এক অনায়াস নষ্টের মহড়ায়
দিনে দিনে যায়
অবলীলায় অন্তহীনে
দিনে দিনে



ASIT KUMAR ROY 31 সপ্তাহ 5 দিন আগে
দিনে দিনে জীবন্মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে
ঈশ্বর তুমি কি সব দেখতে পাও
মনে হয় কিছুই দেখনা দেখতে পাওনা
নাকি দেখতেই জাননা।
দেখবে কি করে?
তুমিও অভ্যস্ত হয়ে গেছে ভেট পেতে
তোমার নামে মালা চড়ে বিক্রি হয়
এটা ওটা নিলাম হয়
যার যত আছে কিনে নেয় তোমায়
আমি আমরা' নিছক ছবির মতন
শুধু দেখি দেখে যাই দেখতে থাকি।
তোমার গায়ে চড়ানো মহামুল্য রাজবেশ
আজ সাদা কাল নীল পরশু গেরুয়া।
পঞ্চান্ন ভোগে তোমার খাবার পরিবেশন
অত অত খাও কি করে?
তোমার লজ্জা করেনা,
সর্বগ্রাসী ক্ষুদা যেন শুধু তোমারি আছে
আমি আমরাও ক্ষুদায় থাকি কাঁদি
কখনো পাই কখনো পাই না
এদেশ থেকে ওদেশে ছুটে ছুটে যাই
নিজের জন্য পরিবারের জন্য পাঠাই।
আর তুমি অলসতায় থাকো খাও আর ঘুমাও
এসো দেখি চাষের মাঠে
কারখানার ধুলো ধোঁয়ার কর্মকাণ্ডে
অন্যের তিলতিল করে ইমারত গড়ার কাজে
প্রাসাদের উচ্চ চুড়ায় আলো জ্বালাতে।
বুঝে নেব হৃদয়ের ধক ধক বাড়ে না কমে!
আজকের দিনলিপি অসমাপ্ত রাখলাম
বেঁচে থাকলে আবার কাল দেখা হবে।
নতুন মন্তব্য পাঠান