রোগ বিভাজন
বৃহ, ২০২৫-০৮-২৮ ০৩:২০ একটা ডিম
আমরা দুজন
ওমলেট তিন ভাগ করা হোক
আর চার জন মিলে খাওয়া যাবে
…………… আখেরুল হক
রোগ বিভাজন
………………………………………………..
ধরো তোমার পেট খারাপ মন খারাপ মাথা খারাপ
তাহলে তুমি কর্তব্য ও ভালোবাসার অধিকার হারালে
ডাক্তারেরে সঁপে দিলে প্রাণ
অষুধের শিশিগুলো মাঝেমধ্যে নড়েচড়ে
জলকে তাড়িয়ে এনে মুখকে বলে খাও
ভূমিকম্পে নষ্ট হতে চলেছে হাঁটার বিধি
এর মধ্যে কি স্মরণ করা যেতে পারে
কী ছিল আত্মপ্রশ্ন
কী ছিল নিজের নাম
যা ভুলে যাবে তা হারিয়ে যাবে
যে বা যার পিছুটান নেই সেই নতুন
এক’শ বছরের অধিক যদি বেঁচে উঠতে পার
তোমার জন্য রয়েছে কথাবলা ঘড়ি খোদিত উপহার
অবোধ শিশু সারারাত খেয়ে যাবে দুধ
অবোধ লোক সারারাত লিখতে থাকে চিঠি
নাম মুছে সমর আজ সমীর হয়েছে
গ্রহ রত্ন প্রভুত্বের আশে স্মৃতি-পান্জাবী বেশে
যে রশিদ কেটে দিয়েছে তা ফেরত আসে না ভবে
সে ফর্দ চলে গেছে অনন্তের হাতে
কেউ কি ছুঁয়ে দিবে অস্থিসন্ধীর রাত
সুন্দরীরা সর্বদা খোলা বুক
তাদের তাগিদে তোমরা হিংস্র হয়ো না
রূপসীরা কি আমার সর্ব ইচ্ছাই বলবে না ‘হ্যা’
জানতে চেয়েছে গুণীজন জানতে চেয়েছে বর্তমান সুখ
চুলে বাঁধা ব্যথা, নিষেধের পরিচিত অসুখ
মরেও মরে না , অক্ষরের সীমা
বর্ণ ভেদে তোমাকে চুমু খাই
বাক্য ভেদে পাড়ি জমাই হৃদয়ে
ধ্বনীর বিচারে অপারগ নিউটন
নিশ্চুপ আপেল ছায়ার তলে ফিসফিস তবু
প্রতি শব্দ আওয়াজ তোলে
মর্ত্যে ধ্বনীর রাজত্ব সব কর্ণ-প্রিয় লোক
এই তো যুযুধান অক্টোপাস
তুমি বাড়িয়ে দিচ্ছ অষ্টমঙ্গলার হাত
যেখানে গর্ত খুঁজেছ সেখানে পুলিশ
যেখানে শোবে সেখানে প্লেন হাইজ্যাক
নিছক ভুল নয় সকল কিছুর
কিছু সত্য তোমার
কারণ তুমি যেথা রয়েছো এক জীবন্ত প্রহর
ক্ষণবিন্দু সূঁচের প্রহার
হাসপাতালে ঘুম নেই
অহরহ টিউবলাইট উত্থানে পতনে
জাদুঘরে মুক্তি নেই তোমার আমার
ক্রোমোজোমে পেঁচিয়ে উঠছে শাড়ি
যে নারী টিকে গেল রাতে
সেই তো ভাত রাঁধে চুল বাঁধে
সুরজ উঠছে যার সাথে
বাঁধা কপির সেলাই খুলে খুলে
শূন্যতার বীজ পেয়ে
প্রজন্ম পাল্টে যায় গানে ও প্রেমে
তবু তাকে হত্যা বলো
যারে যারে তুমি বাসনি ভালো
পাশের মানুষ হে প্রিয়
তোমায় চিনি শতাধিক
দূরের ট্রেন কাছে এলে
মৃত্যু আমার নিশ্চিত ।
আখেরুল হক
- আখেরুল হক-এর অন্যান্য কবিতাপাতা
- এই পাতাটির ক্লিকসংখ্যা 394





m.c. 36 সপ্তাহ 6 দিন আগে
Fabulosa
kalyan 36 সপ্তাহ 6 দিন আগে
চমৎকার
রেবেকা 36 সপ্তাহ 6 দিন আগে
‘শূন্যতার বীজ পেয়ে
প্রজন্ম পাল্টে যায় গানে ও প্রেমে
তবু তাকে হত্যা বলো
যারে যারে তুমি বাসনি ভালো
পাশের মানুষ হে প্রিয়
তোমায় চিনি শতাধিক
দূরের ট্রেন কাছে এলে
মৃত্যু আমার নিশ্চিত ।’
আহ্, এই সব পঙক্তির জয় সুনিশ্চিত
সৈয়দ মুনসিফ আলী 36 সপ্তাহ 6 দিন আগে
ওমলেট না হোক, এই কবিতা সবাই মিলে পড়লাম
ওমলেটের থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ
রায়সা 36 সপ্তাহ 6 দিন আগে
‘মরেও মরে না , অক্ষরের সীমা
বর্ণ ভেদে তোমাকে চুমু খাই
বাক্য ভেদে পাড়ি জমাই হৃদয়ে’
অবাক করলেন
রায়সা 36 সপ্তাহ 6 দিন আগে
বস্তুতঃ উদ্ধৃত লাইন নয়, পুরোটাই বা শেষাংশ
ভাবনার বিস্তার দোলাচলে ফেলল, আমি বলব এই লেখা আমাকে ভাবালো, চমৎকার তো লাগলই
বনলতা 35 সপ্তাহ 4 দিন আগে
আবিষ্ট করলেন
নতুন মন্তব্য পাঠান