আকাশের রং আর মানবের মন ক্ষনে ক্ষনে বদলায়।
হারিয়ে ফেলে নিজ অস্ত্বিত্ত্ব লোভ মোহের কুয়াশায় ।
তবু অন্তরে কেবা কি যেন কুরেকুরে খেয়ে নেয়
তাঁকে চিনিনা জানিনা তবু সে অজান্তে অন্তরে রয়।
সে কে? কেনই বা আসে? কি সে বলতে চায়
আমিই বা কে? কেনই বা অতীতে মন ফিরে যায়।
বুকের ভিতর অফুরান জিজ্ঞাসা উত্তর খুঁজে ফিরি
পুরানো প্রাসাদের দেয়াল চিত্রে কি উত্তর আছে?
কতক চিনি কতক চিনিনা বুকের ভিতর হাঁফ
ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় ছবি ছুঁয়ে দেখার ইচ্চায়।
স্পর্শের পলকে নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের বদল আমি কে?
সমুখে এই অপরূপা! এইকি সেই অনামিকা আংশুকা।
বিদ্যুৎ তরঙ্গে বুঝি আমি নই বর্তমানের করনিক
সহস্র বছর আগের কোন এক সামান্য চিত্র-শিল্পী।
কোন এক অতৃপ্ত নায়িকার ছবি এঁকে চলেছি
ঘন নীলাভ চোখ রাজহংসী শরী্র ঘিরে নগ্নতা।
যে নগ্নতায় কামনার আগুন বিন্দুমাত্র থাকেনা
থাকে শুধু অনন্য হাসির পবিত্র কলুষবিহীন প্রেম।
কোন মন্ত্রবলে তুমি আংশুকা আর আমি অনিকেত
দুজনে দুজনার কাছাকাছি অথচ সমান্তরাল দুরত্ব।
ঘন নীল প্রেক্ষাপটে ফুটে উঠেছে অসাধারণ চিত্র
চিত্র থেকে প্রেমিকা উঠে এসে বলে -তুমি এসেছ?
আমি তখন অনির্বাণ নই রাজাদেশ বহনকারী শিল্পী
নই সেই নায়িকার একান্তআপন নিভৃত মনের প্রেমিক।
পাখী ডাকা ভোর ব্রাম্ভ মুহূর্তে দিবাকরের অস্তিত্ব
হ্যাঁ আমি এসেছি কাল প্রাতেই চলে যাব যুদ্ধক্ষেত্রে।
সে যেন কবেকার কথা প্রাসাদ অলিন্দে প্রতিধ্বনি
সব কিছু যেন থমকে আছে ফ্লাশব্যকের চিত্রপট।
কে যেন ডাক দেয় যান্ত্রিক আলোয় চমক ভাঙে
সরোবরের জল আন্দোলিত তীরে তীরে বার্তা পৌঁছায়।
'' সাবজি '' এক লহমায় সম্বিত ফিরে পাই অনির্বাণ
দ্রুত চিত্র পাল্টে অতীত মুছে ঘরে ফেরে পথভোলা।
ASIT KUMAR ROY 14 সপ্তাহ 2 দিন আগে
আকাশের রং আর মানবের মন ক্ষনে ক্ষনে বদলায়।
হারিয়ে ফেলে নিজ অস্ত্বিত্ত্ব লোভ মোহের কুয়াশায় ।
তবু অন্তরে কেবা কি যেন কুরেকুরে খেয়ে নেয়
তাঁকে চিনিনা জানিনা তবু সে অজান্তে অন্তরে রয়।
সে কে? কেনই বা আসে? কি সে বলতে চায়
আমিই বা কে? কেনই বা অতীতে মন ফিরে যায়।
বুকের ভিতর অফুরান জিজ্ঞাসা উত্তর খুঁজে ফিরি
পুরানো প্রাসাদের দেয়াল চিত্রে কি উত্তর আছে?
কতক চিনি কতক চিনিনা বুকের ভিতর হাঁফ
ধীরে ধীরে এগিয়ে যায় ছবি ছুঁয়ে দেখার ইচ্চায়।
স্পর্শের পলকে নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের বদল আমি কে?
সমুখে এই অপরূপা! এইকি সেই অনামিকা আংশুকা।
বিদ্যুৎ তরঙ্গে বুঝি আমি নই বর্তমানের করনিক
সহস্র বছর আগের কোন এক সামান্য চিত্র-শিল্পী।
কোন এক অতৃপ্ত নায়িকার ছবি এঁকে চলেছি
ঘন নীলাভ চোখ রাজহংসী শরী্র ঘিরে নগ্নতা।
যে নগ্নতায় কামনার আগুন বিন্দুমাত্র থাকেনা
থাকে শুধু অনন্য হাসির পবিত্র কলুষবিহীন প্রেম।
কোন মন্ত্রবলে তুমি আংশুকা আর আমি অনিকেত
দুজনে দুজনার কাছাকাছি অথচ সমান্তরাল দুরত্ব।
ঘন নীল প্রেক্ষাপটে ফুটে উঠেছে অসাধারণ চিত্র
চিত্র থেকে প্রেমিকা উঠে এসে বলে -তুমি এসেছ?
আমি তখন অনির্বাণ নই রাজাদেশ বহনকারী শিল্পী
নই সেই নায়িকার একান্তআপন নিভৃত মনের প্রেমিক।
পাখী ডাকা ভোর ব্রাম্ভ মুহূর্তে দিবাকরের অস্তিত্ব
হ্যাঁ আমি এসেছি কাল প্রাতেই চলে যাব যুদ্ধক্ষেত্রে।
সে যেন কবেকার কথা প্রাসাদ অলিন্দে প্রতিধ্বনি
সব কিছু যেন থমকে আছে ফ্লাশব্যকের চিত্রপট।
কে যেন ডাক দেয় যান্ত্রিক আলোয় চমক ভাঙে
সরোবরের জল আন্দোলিত তীরে তীরে বার্তা পৌঁছায়।
'' সাবজি '' এক লহমায় সম্বিত ফিরে পাই অনির্বাণ
দ্রুত চিত্র পাল্টে অতীত মুছে ঘরে ফেরে পথভোলা।